বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে পাঠ্যবইয়ে ভুল লেখার কারণে এনসিটিবির চেয়ারম্যানকে তলব হাইকোর্টের

ভয়েস অফ ইনসাফ ডেস্কভয়েস অফ ইনসাফ ডেস্ক
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৮:১৭ পিএম, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান এবং একই সঙ্গে একজন সদস্যকে ও তলব করেছেন হাইকোর্ট। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্য বইয়ে থাকা ভুলের কারণে

আগামী ১০ই নভেম্বর তাদের সশরীরে আদালতে উপস্থিত হয়ে পাঠ্য বইয়ে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ভুল লেখার কারণ ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালত বলেন,পাঠ্য বইয়ে এত ভুল থাকা দুর্ভাগ্যজনক।

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক মো. আলমগীর আলমের দায়ের করা রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আদালত রুলসহ এ আদেশ দেন রিট আবেদনে বলা হয়।

হাইকোর্ট জানতে চেয়েছেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্য বইতে থাকা ভুল সংশোধনে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না রুলে ৪ সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষা সচিব, ন্যাশনাল কারিকুলাম অ্যান্ড টেক্সটবুক বোর্ডের চেয়ারম্যান, সদস্য (কারিকুলাম), সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আইনজীবী আলী মুস্তফা খান আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন। নবম-দশম শ্রেণির বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা বইয়ের ১৭৪ পৃষ্ঠায় ৯ নম্বর লাইনে আছে, দলীয় নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। কিন্তু সেখানে হবে আওয়ামী লীগের সভাপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি বলা হয়েছে। অথচ ১৮৭ পৃষ্ঠায় শেখ মুজিবুর রহমানকে মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি বলা হয়েছে। ১১নং অনুচ্ছেদের লাইনটিও ভুলভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

এছাড়া, নবম ও দশম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইয়ের ২৯ পৃষ্ঠায় বঙ্গভবনকে লেখা হয়েছে প্রেসিডেন্ট ভবন। সেখানে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যকাল পাঁচ বছর। অনেক অভিভাবক জানান, এমন আরও ভুল রয়েছে জানিয়ে চিঠি দিলেও কর্ণপাত করেনি এনসিটিবিক।
পরে এই অভিভাবক বাধ্য হয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।

আপনার মতামত লিখুন :